Posts

Showing posts from June, 2019

কোরআন আঁকড়ে ধরে অভিনয় ছাড়লেন দঙ্গল-কন্যা জায়রা

Image
পাঁচ বছরের জনপ্রিয়তায় ইতি টানলেন জায়রা ওয়াসিম। নিজের ইনস্টাগ্রামে সাড়ে পাঁচ পাতার একটি পোস্টে অভিনয় থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। সেই পোস্ট নিজের টুইটার, ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও শেয়ার করেছেন জায়রা। ফিল্মি কেরিয়ার তার বিশ্বাস এবং ধর্মের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়েছে এবং সে কারণেই যে তিনি অভিনয় ছাড়ছেন, জায়রার পোস্টে বারবারই সে কথা উঠে এসেছে। ২০১৬ সালে আমির খানের সঙ্গে ‘দঙ্গল’ ছবিতে অভিনয় করেন জায়রা ওয়াসিম। এটাই ছিল তার ডেবিউ ফিল্ম। এত কম বয়সে তার অভিনয় দক্ষতা অত্যন্ত প্রশংসিত হয়। ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড-ন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর একসেপশনাল অ্যাচিভমেন্ট পেয়েছেন জায়রা। গত মার্চে প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে তার ছবি ‘দ্য স্কাই ইন পিঙ্ক’-এর শুটিংও শেষ হয়েছে। শুরু থেকেই জায়রার কেরিয়ার গ্রাফ ক্রমশ উঁচুতে উঠছিল। এমন সময়ে কেরিয়ারে ইতি টানার যে সিদ্ধান্ত জায়রা নিয়েছেন, তাতে হতবাক গোটা সিনে মহল। জায়রা তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ইংরাজিতে যা লিখেছেন, তার বাংলা করলে দাঁড়ায়, পাঁচ বছর আগে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা চিরকালের জন্য তার জীবন বদলে ফেলেছে। যে মুহূর্...

ইসলাম প্রচারে আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় বিলবোর্ড স্থাপন !

Image
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস শহরে একটি মুসলিম সংগঠন সাধারণ মানুষকে হিজাব সম্পর্কে ধারণা দিতে এবং রাজনীতি ও মিডিয়ার কারণে ইসলাম সম্পর্কে জনমনে ছড়িয়ে পড়া ভুল মনোভাব দূর করতে বিলবোর্ডের মাধ্যমে প্রচারণা শুরু করেছে। খবর টেক্সাস পাবলিক রেডিওর। ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকার ডালাস জোনের স্বেচ্ছাসেবী রুমান সাদিক এ প্রসঙ্গে বলেন, মুসলিম নারীদের জন্য প্রকাশ্যে পর্দাবৃত হয়ে বের হওয়াটা কঠিন হয়ে পড়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সুপারমার্কেট ও খেলাধুলার বিভিন্ন উন্মুক্ত স্থানে আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। হিজাব ইসলামে একটি আবশ্যিক পরিধেয়-বিধান। শুধু ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতা বোঝানোর জন্য এটি নির্দিষ্ট কোনো চিহ্ন নয়।

কুমিল্লায় উদ্বোধনের অপেক্ষায় আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য!

Image
কুমিল্লায় উদ্বোধনের অপেক্ষায় আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য। মুরাদনগর উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপাশের তিন রাস্তার মোড়ে খোদাই করে মহান আল্লাহ তায়ালার গুণবাচক ৯৯ নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। সম্প্রতি আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক এবং এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এ ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে। চত্বরটির মাঝখানে সু-বিশাল একটি পিলারে চারপাশে খোদাই করে লেখা হয়েছে আল্লাহর ৯৯টি নাম এবং চূড়ায় বড় করে লেখা হয়েছে “আল্লাহু”। দূর থেকেই মুরাদনগর উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডে ঢুকা মাত্রই এটি চোখে পড়। তাই প্রতিদিনই দূর-দূরান্তের যাত্রীসহ চালকরা গাড়ি থামিয়ে এক পলক চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন সুদৃশ্য এ ভাস্কর্যটিতে। এছাড়াও প্রতিদিনই ভাস্কর্যটি দেখতে দর্শনার্থীরা ভীড় করছেন। বাসস্ট্যান্ডের পাশে চত্বরটি গড়ে উঠায় উপজেলা সদর এখন আরও জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কুমিল্লা জেলায় আল্লাহর নামে স্থাপিত এ ভাস্কর্যটি স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুনের উত্তম কাজের একটি মাইল ফলক হয়ে থাকবে বলেও বিশ্বাস স্থা...

"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে" ?-[সূরা গাশিয়াহ ১৭]

Image
“উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে। মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে। কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে। মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে। দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়। উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়। মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে। যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়। ৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে। একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়। কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সব...

বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরন করলো যুক্তরাষ্ট্রে!

Image
যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির প্যাটারসন সিটির ইউনিয়ন অ্যাভিনিউ সড়কের নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ বুলেভার্ড’ রাখা হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কের নামফলক লাগিয়ে বাংলাদেশ বুলেভার্ড করা হয়। ‘বাংলাদেশ বুলেভার্ড’ নামকরণ উপলক্ষে সেখানে শুরু হয় বাংলাদেশিদের মিলনমেলা ও কনসার্ট। এতে বাংলাদেশের প্রথম সারির ব্যান্ড মাইলস, বাউল কালা মিয়া, রিজিয়া পারভীনসহ স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। উপচে পড়া দর্শক উপস্থিতিতে মেলা যেন হয়ে ওঠে মিনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশি আমেরিকান কাউন্সিলম্যান শাহিন খালিক উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন বলে আমার চেষ্টা ও আপনাদের সহযোগিতায় এটি করা সম্ভব হয়েছে। আগামীতে আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে চেষ্টা করবো। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি ঐতিহাসিক বিজয় এবং গর্বের দিনও বটে। বিশেষ করে কাউন্সিলম্যান শাহিন খালিকের সুদক্ষ নেতৃত্বে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পেল নিজ দেশের নামে সড়ক।

বাংলায় প্রথম ব্যাংক লুট করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুর

Image
আজকে আমরা যেভাবে ব্যাংক লুট দেখি ঠিক একইভাবে ব্যাংকলুট করেছিলেন প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। আমাদের স্যেকুলারকুলের নমস্য ব্যক্তিরাও যে একই কাজ করে গিয়েছিলেন এবং এই সো কল্ড বাঙালি মডার্নিস্টরা যে লুটের ঐতিহ্য ধারণ করে তা আবিষ্কার করে তাজ্জব হয়ে গেলাম। ১৮২৯ সালে দ্বারকানাথ ঠাকুর তৈরি করেন ইউনিয়ন ব্যাংক। সেই ব্যাংকের কর্তৃত্ব নিজের হাতে রাখার জন্য তিনি তার ঘনিষ্ঠ ও আজ্ঞাবহ রমানাথ ঠাকুরকে ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষ বানান। ব্যাংকের অন্যান্য পদে পরিবর্তন হলেও ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাবার আগে পর্যন্ত এই রমানাথ ঠাকুর এই পদে কর্মরত থাকেন। ১৬ লক্ষ টাকা মুলধন নিয়ে ব্যাংক যাত্রা শুরু করে। তিন বছরের মধ্যে ব্যাংকের মুলধন ১ কোটি টাকা দাঁড়ায়। মুল লুটপাট হয় হুন্ডির মাধ্যমে। তখন হুন্ডি বৈধ ছিল। লুটপাট চালাতো দ্বারকানাথ নিজে ও নীলকরেরা। অডিটে এসব ধরা পড়লে দ্বারকানাথই সেসব ঝামেলা ঠেকাতো। মুলধনের দুই তৃতীয়াংশই যা সাকুল্যে ৭৩ লাখ টাকা, তা খেলাপি ঋনে পরিণত হয় ১৮৪৩ সালে। যার মধ্যে ১৮ লক্ষ টাকা খেলাপি ছিল দ্বারকানাথ ঠাকুরের কোম্পানির। খেলাপি ঋণের এই ৭৩ লক্ষ টাকা লুটেরারা সরিয়ে ফেললেও দ্বারকানাথ ঠাকুর পরিচালনা বোর্ড...

একটি ভাতের দানা বানাতে ৭০জন ফেরেশতা লাগে।- কথাটি কি সঠিক ?

Image
খাদ্য পড়ে গেলে তুলে খেতে হয় এটা সকলেরই জানা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য পড়ে গেলে তুলে খেতে বলেছেন। এমনকি খাদ্যে ময়লা লেগে গেলে তা পরিষ্কার করে খেতে বলেছেন। নিজেও এর উপর আমল করা উচিত এবং অন্যকেও উৎসাহ দেওয়া উচিত। যে সুরা একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে ? পড়লেই দশবার পূর্ণ কোরআন পড়ার সওয়াব পাওয়া যায় ! কিন্তু কিছু মানুষ আছে যারা ভাত পড়ে গেলে তুলে খাওয়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে গিয়ে বলে, ভাত নষ্ট করতে নেই; একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে। একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে ? একথার কোনো ভিত্তি নেই। একটি ভাত বা চাল তৈরি হতে কতজন ফিরিশতা লাগে তা একমাত্র আল্লাহই জানেন। এটি অদৃশ্য জগতের বিষয়। তবে একটি ভাতের দানা আমার পর্যন্ত আসতে যে অনেক মানুষের শ্রম আছে এবং মাটি, পানি, চন্দ্র-সূর্য ইত্যাদিকে আল্লাহ তাআলা এ উদ্দেশ্যে ও এমন অনেক উদ্দেশ্যে আমাদের খেদমতে একটি ভাতের দানা বানাতে সত্তরজন ফেরেশতা লাগে ? নিয়োজিত করেছেন তা কারই বা অজানা। সুতরাং একটি ভাতের দানা হোক বা যে কোনো খাদ্যদ্রব্য হোক, নষ্ট বা অপচয় করার কোনো অবকাশ নেই। এর জ...

চিপসের প্যাকেটে ফ্রি খেলনা, গলায় ঢুকে শিশুর মৃত্যু

Image
চিপসের প্যাকেটে থাকা খেলনা গলায় ঢুকে মারা গেল মুম্বাইয়ের কান্ডিভলির একটি ৪ বছরের ছেলে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শ্বাসনালী পুরোপুরি রুদ্ধ হয়ে যায়।  আর শ্বাস নিতে পারেনি সে। শনিবার বাবা মার সঙ্গে দুর্গা ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিল ছোট্ট পীযূষ খুশওয়াহা। মেলা ঘুরে বাড়ি ফেরার সময় বায়না করে চিপসের প্যাকেট কেনে সে। প্যাকেটের ভেতরে ছিল ফ্রিতে বিলি করা খেলনা। তা ছিটকে গিয়ে পীযূষের গলায় ঢুকে যায়। কথা বন্ধ হয়ে যায় তার। ৫ মিনিট ধরে পীষূষের বাবা-মা চেষ্টা করেন, কোনোভাবে ছেলেকে কাশিয়ে গলা থেকে খেলনাটা বার করে আনার। লাভ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ছোটেন হাসপাতালের দিকে। পীযূষের বাবা বিরজুর অভিযোগ, দুর্গা ঠাকুরের ভাসান চলায় অটোরিকশা পাননি তাঁরা, ফলে ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেরি হয়ে যায়। ভিড় ঠেলে ছেলে কোলে নিয়ে তাঁরা পৌঁছান ৩ কিলোমিটার দূরের নার্সিংহোমে। সময় যায় ২০ মিনিট। সেখান থেকে রেফার করা হয় অন্য আর একটি হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, পীযূষ শ্বাস নিচ্ছে না। আশা না ছেড়ে বাবা মা তাকে আর একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকরা ভেঙে পড়া বাবা-মাকে জানান, তাঁদের কিছু করার নেই, ছেলের শ্বাসনালী পু...

ভারতের স্কুলে কুরআন শিক্ষার প্রস্তাব করেছেন মেনেকা গান্ধী

Image
ভারতের স্কুলগুলোর কচি-কাঁচা শিক্ষার্থীদের জন্য পবিত্র কুরআনুল কারিমসহ পৃথিবীর ছয়টি ধর্মীয় গ্রন্থ শিক্ষার আহ্বান জানান নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী মেনেকা গান্ধী। বর্তমান বিশ্বে চলমান ধর্মীয় উত্তেজনা ও সহিংসতা কমাতে ও ভ্রান্তি দূর করতে ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই। ভারতের নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী মেনেকা গান্ধী দেশটির স্কুলগুলোতে ইসলাম ধর্মের ঐশী গ্রন্থ আল কুরআনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ্যবই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। যাতে শিশুরা বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে শৈশবই অবগত হন এবং ধর্ম সম্পর্কের তাদের সঠিক অর্জন হয় এবং ভ্রান্তি দূর হয়। তিনি বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষার্থীদের পৃথিবীর ছয়টি ধর্মের শ্রেষ্ঠ পবিত্র গ্রন্থ সম্পর্কে ধারণা থাকবে হবে। বিশেষ করে কুরআন ও বাইবেল। এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে বিরাজিত ভ্রান্তি ধারণা দূরীভূত হয়ে যাবে। ভারতের এই মন্ত্রী জানান, ‘বর্তমান সময়ে বিশ্বে ধর্মীয় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর একটি কারণ হচ্ছে শিশুদের মধ্যে অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কে অধিক জ্ঞান না থাকা। আর বড় হওয়ার পর ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ না থাকা। মেনেকা গান্ধী মানব সম্পদ...

দেশ সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ নির্বাচিত হলেন শাহনাজ কবীর।

Image
দেশের সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছেন কিশোরগঞ্জ শহরের এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ কবীর। গত বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতর তাকে দেশের সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ হিসাবে নির্বাচিত করে। আগামী ২৬ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে শাহনাজ কবীরকে পুরস্কৃত করা হবে বলে জানা যায়। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পর্যায়ে ও পরে কিশোরগঞ্জ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন শাহনাজ কবীর। এর পর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সেরা প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন। সে গৌরব অর্জনের পর জাতীয় পর্যায়ের বাছাইয়ে নাম লেখান তিনি। শাহনাজ কবীরের তত্ত্বাবধানে এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাধ্যমিক পরীক্ষায় বেশ সুনাম অর্জন করে আসছে। দেশের সেরা ‘প্রধান শিক্ষক’ হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে মোবাইল ফোনে শাহনাজ কবীর যুগান্তরকে বলেন, ‘আমার এ অর্জন একক কোনো কৃতিত্ব নয়। বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের ভালোবাসা এবং সহকর্মীদের সহযোগিতায় আমি এ সাফল্য অর্জন করেছি। ’ তিনি জানান, যোগদানের পর থেকেই এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মানুবর্তিতা, পারস্পারিক সহয...